
সমস্যাটা আমরা চিনি
প্রবাসে কাজ করা মানুষের বাস্তবতা আমি কাছ থেকে জানি। সিঙ্গাপুরে প্রায় ১০ বছর কাটিয়েছি, সাধারণ কর্মী হিসেবে শুরু করে অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিন পর্যন্ত। প্রতিদিন নিজেকে আপগ্রেড করার সেই যাত্রা থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার: যোগ্যতা থাকলেও অনেকে সঠিক পথ খুঁজে পান না।
ধরুন, রফিক। ছয় বছর ধরে সিঙ্গাপুরে নির্মাণ খাতে দক্ষ কর্মী। কাজ জানেন, পরিশ্রমী, ইউরোপে আরও ভালো সুযোগের স্বপ্ন দেখেন। দিনের কাজের পর ক্লান্ত শরীরে রাতে অনেক জায়গায় আবেদন পাঠান। কোনো কল আসে না। এজেন্সির কাছে গেলে বড় অঙ্কের টাকার কথা শোনেন, কিন্তু কোন টাকা কীসের জন্য, তা পরিষ্কার নয়। ভরসা হয় না। রফিকের যোগ্যতা আছে। নেই শুধু সঠিক পথ, সময় আর একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী।
এটি একটি কাল্পনিক উদাহরণ, অনেক প্রবাসীর বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবি।যেখানে এসে সবাই আটকে যান
১. সময় নেই
পুরো দিনের কাজের পর নিজের যোগ্যতার সঙ্গে মেলে এমন এমপ্লয়ার খোঁজার শক্তি আর সময় থাকে না।
২. কীভাবে আবেদন করতে হয়, জানা নেই
ইউরোপের এমপ্লয়াররা কেমন CV চান, কোন কাগজ কীভাবে সাজাতে হয়, কোন দেশে কোন পারমিট লাগে: না জানার কারণে আবেদন পাঠিয়েও কোনো কল আসে না।
৩. ভরসা করার মতো কেউ নেই
এজেন্সিকে দিলে কোন টাকা কীসের জন্য, তা স্পষ্ট হয় না। ঠকে যাওয়ার ভয়ে অনেকে চেষ্টাই ছেড়ে দেন।
যোগ্যতা আছে বলেই কারও স্বপ্ন থেমে যাবে পথ না জানার কারণে, এটা আমরা মেনে নিতে পারি না।
NexaEuro এখানে কী করে
- আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত এমপ্লয়ার খুঁজে আপনার হয়ে যোগাযোগ করে।
- ইউরোপীয় মানের e-CV ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত করে।
- আপনার প্রবাসের অভিজ্ঞতা ইউরোপের কোন কাজে কীভাবে মূল্যবান হয়, তা গুছিয়ে তুলে ধরে।
- অফার লেটার বা ওয়ার্ক পারমিট হাতে আসা পর্যন্ত পাশে থাকে।
আমাদের কথা
- ভিসা, ভিসা সেন্টার ও দূতাবাসের ফি আপনি নিজে সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দেবেন, অচেনা কারও হাতে নগদ নয়।
- সেবার শর্ত লিখিত চুক্তিতে স্পষ্ট থাকবে। শর্ত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
- ভিসার নিশ্চয়তা আমরা দিই না, কারণ ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত দূতাবাসের। যা আমাদের হাতে, তা সৎভাবে করব।
আপনার প্রথম পদক্ষেপ
নিজের সুযোগ বুঝতে প্রাথমিক Check করুন, অথবা সরাসরি আমাদের সঙ্গে কথা বলুন।
কোনো চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।
